শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Twitter

Check out ujjal sarkar (@ujjalsarkar50): https://twitter.com/ujjalsarkar50?s=09

অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম

কিছুইই বলার নাই

ব্লগার উজ্জ্বল

হাইরে ভালবাসা

জীবন আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে,
কখনো কেঊ ভালোবেসে আগলে
রেখেছে, কখনো সেই ভালোবাসা আমাকে
নিঃশেষ করেছে.....
.
... কেওবা তার প্রয়োজনে ব্যবহার
করেছে। কখনো বন্ধুরা অনেক সুখ
দিয়েছে...আবার তাদেরই কেও আত্মহত্যা করার
জন্য বাধ্য করেছে....
.
কখনো ভালবাসার মানুষের চোখে
অবহেলা দেখেছি.... কখনো কারো অসীম
ভালোবাসায় নতুন জীবন পেয়েছি...
.
জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, খুব প্রিয় মানুষের
মৃত মুখ দেখেছি....
কারো মুখে হাসি ফুটিয়েছি, তো কাওকে অনেক
কষ্ট দিয়েছি....
দেনা পাওনার হিসেব এখন আর মিলাই
না... চাওয়া পাওয়ার হিসেব কসতে সাহস
হয়না....
.
সব কিছুই হয়ত পেয়েছি জীবন থেকে,
শুধু পাইনি খুঁজে আমার মাঝে লুকিয়ে
থাকা আমার আমিত্তকে......

বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৬

ভালোবাসার সূএ

ভালোবাসার সূএ
x²=I, y²=U
এবং xy=5ve হলে,
(x+y)² এর মান নির্ণয় কর?
আমরাজানি, (x+y)²
=(x)²+2.x.y+(y) ²
=I+2.5ve+U
=I+l0ve+U
= I love u....

শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৬

Bloger

Check out @ujjalsarkar50's Tweet: https://twitter.com/ujjalsarkar50/status/766623695326412800?s=09

ভালোবাসা নয় , কস্টের গল্প

নাম করনে গল্প হলেও পৃথিবীর কোনো এক অংশে অভিনীত এক নাটকের ছোট্ট একটি অংশ এটি। জীবনের চলার পথে জনৈক বন্ধুর কাছ হতে শোনা ঘটনাটি শুনতে শুনতে ভাবছিলাম এমনোও কি হয় !
জীবনে কতো কিছুই না ঘটে। কিছু ঘটনা হয়তো স্মৃতি হতে ধীরে ধীরে মুছে যায় , কিছু স্মৃতি মনের গহীন অতলে ঠিকই ধিকি ধিকি করে জ্বলতে থাকে। গল্পটি না হয় সেই বন্ধুর মুখ থেকেই শোনা যাক।
" সারা রাত কাজ শেষে বাসায় যখন এসেছিলাম ঘড়িতে তখন ভোর ৪ টা। প্রচন্ড ক্লান্ত, ততোধিক ভয়াবহ খিদে। দু প্যাকেট নুডুলস সেদ্ধ করে তাতে সামান্য কিছু মিক্সড ভেজি মিশিয়ে ঘুমুতে যাবার সময় ঘড়িতে এলার্ম সেট করতে ভুলিনি। সকালে দূর শহর হতে আমাকে দেখতে আসবে। এতোদিন জানতাম মেয়েদেরই দেখতে আসে, এখন ছেলেদেরও দেখতে আসে। মেয়েদের যদি আনুস্ঠানিক/অনানুস্ঠিক ভাবে দেখতে যাওয়া যায় তবে ছেলেদের ব্যপারে কেনোইবা তার ব্যতিক্রম হবে ?
প্রচন্ড টেনশন হচ্ছিলো। সুন্দর কাপড় পড়তে হবে, ভালো করে নিজেকে তাদের সামনে উপস্থাপিত হতে হবে। আচ্ছা কি ভাবে কথা বল্লে তারা ইমপ্রেসড হবেন ! ইত্যাদি নানান সব ভাবনা। ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টেরই পাইনি।
মোবাইলের রিঙের শব্দে ঘুম যখন ভাঙলো তখন ঘড়ির কাঁটা কোন ঘরে ছিলো সেটাও মনে নেই। আজকালকার ডিজিটাল ঘড়িতে অবশ্য কাঁটার বদলে সংখ্যা ভাসে। অচেনা নাম্বার থেকে ঘুম জড়ানো গলায় হ্যালো বলতেই শুনতে পেলাম উনারা আর মাত্র ১ ঘন্টার দূরত্বে রয়েছেন। ক্লান্ত শরীরে এটা শোনার পরও আবার কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম মনে নেই। ঘুম যখন ভাঙলো তখন দড়জায় উনারা দাঁড়িয়ে। গরীবের ভাঙা কুটির দেখে আশাহত যে হয়েছিলেন সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। চা এর কথা বলতেই উনারা বল্লেন বাহিরে কোথায় খেতে খেতেই না হয় আলাপ সারা যাবে।
পকেটে একাউন্ট নিংরে বের করা সবটুকু টাকা নিয়ে রেস্টুরেন্ট গিয়ে ভাবছিলাম কি কথা হবে। মানুষের চোখ নাকি অনেক কিছু বলে দেয়। আমি তাদের চোখ পড়বার চেস্টা করছিলাম। চেস্টা করছিলাম তাদের গলার স্বর থেকে মনের ভাব বোঝার। আপ্রান চেস্টা ছিলো তাদের সন্তুস্ট করবার। কত কিছু ভেবে রেখেছিলাম। কিছুই জানতে চাইলেন না। কথায় দায়সারা ভাব, যেনো ইন্টারভিউ বোর্ডে আগেই সিলেক্ট করা প্রার্থীকে চাকুরি দেবার জন্য অন্য সব প্রার্থীকে অবান্তর অপ্রাসংগিক সব প্রশ্ন করা।"
তার পর কি হলো বস ?
" কি আর হবে, সব কিছু শেষে উনারা আমাকে নামিয়ে চলে গেলেন। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম উনাদের গাড়ি আস্তে আস্তে ধীরে দূরে হারিয়ে যাচ্ছে।"
তার পর?
" তারপর আর কি, জীবন জীবনের মতো চলতে থাকে। স্বপ্ন দূস্বপ্নে পরিনত হলো। এক সময় সব কিছুই স্বাভাবিক হয়ে এলো তবুও সে সব ঘটনা ভুলতে পারি না। মাঝে মাঝে শেখ সাদির সেই গল্পের কথা মনে পরে; পোষাক দিয়ে মানুষ যাচাই। টাকা দিয়ে মানুষ যাচাই, চেহারা দিয়ে মানুষ যাচাই। অথচ কেউই মানুষের ভেতরটাকে দেখতে চায় না, জানতে চায় না, বুঝতে চায় না। "
তার পর ?
"জীবনতো আর থেমে থাকে না। ভালো আছি, সুখে আছি, শান্তিতে আছি । সে সময় সব কিছুই বুজতে পেরেছিলাম, প্রসন্ড কস্স্ট লাগছিলো কিন্তু সবসময় জানতে ইচ্ছে হয় ঠিক কি কারনে উনারা আমাকে অপছন্দ করেছিলেন।"
টেলিফোনে হাজার মাইল দূর থেকেও উনার দীর্ঘনিঃশ্বাষ শুনতে পাচ্ছিলাম। জীবনটা আসলেই বড্ড বিচিত্র। বিশাল এক নাট্য মন্চ, আমরা যার যার ভুমিকায় অভিনয় করে যাচ্ছি সুনিপুন

মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৬

My Logo

আনেক ষ্ট করে এই লগো টা বানালাম

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৬

বিজ্ঞানের কথা

আমাদের দেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক
পিছিয়ে । বিজ্ঞান জানতে হবে,বুঝতে হবে ।
বিজ্ঞান ও নানা প্রযুক্তিকে জানার জন্যই
গ্যালাক্টিকা ম্যাগাজিনটি। পুঁথিগত বিদ্যার
বাইরে এসে সবার অলোচনার মাধ্যমে আমাদের
দেশের বিজ্ঞান এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা নিয়ে
পথ চলা শুরু ম্যাগাজিনটির। জানবো, বুঝবো,
শিখবো এটিই হল সম্পূর্ণ বিনামূল্যের
অনলাইন ম্যাগাজিনটির মূলমন্ত্র।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী
করে তোলা ।
২. বিজ্ঞানের কঠিন বিষয়গুলোকে সহজভাবে
উপস্থাপন করা ।
৩. ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে
পরিচিত করে তোলা ।
৪. পাঠ্যবইগুলোর নানান বিষয়ের সহজবোধ্য
ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভীতি দূর
করা ।
৫. সর্বোপরি, সকল মানুষের জন্য বিজ্ঞান
নিয়ে আলোচনার জন্য একটি ক্ষেত্র তৈরি করা

শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০১৬

এখন আপনি শিখবেন তাসের খেলা । এ খেলায় একজন বন্ধুর প্রয়োজন হবে । . >প্রথমে বন্ধুকে বলে দিন, তাসের মধ্যে Jack-11, Queen-12, King-13 এবং টেক্কা-1 . বাকি তাস গুলোর মানতো তাতে লেখা আছেই । >এবার বন্ধুকে মনে মনে বায়ান্নটাতাসের যে কোনটা ভাবতে বলুন । >মনে মনে বন্ধুটি যে তাসটি ভাবছে তার পরবর্তি তাসের মান, মনে করা তাসটির সাথে যোগ করতে বলুন । >ফলাফলটিকে ৫ দিয়ে গুন করতে বলুন । >এবার বন্ধুকে তাসের গ্রুপের মানবলুন: ক্লাবস-6, ডায়মন্ড-7, হার্টজ-8, স্পেডজ-9 । সে যে গ্রুপের তাস ধরেছে তার মান গুনফলের সাথে যোগ করতে বলুন । >ফলাফলটা জনতে চান । >মনে মনে ফলাফল থেকে 5 বাদ দিন । এবার বন্ধুর মনে মনে ভাগ তাসটি বলে দিন। . একবার চেষ্টা করেই দেখুন না...? . . . . . . . #>>প্রকৃয়া : ধরুন আপনার বন্ধু মনে মনে ভাবছে হার্টজ এর 5 . >পরবর্তি কার্ড নাম্বার যোগ করলেহয় 5+6 = 11 . >5 দিয়ে গুন করবে 11 X 5 = 55 . >কার্ড গ্রুপ মান যোগ হবে (হার্টজ- 8) 55+8 = 63 . >'63'ফলাফলটি শোনা মাত্র তা থেকে 5 বাদ দিন 63-5 = 58 . 58 এর প্রথম সংখাটি মনে মনে ধরা কার্ড টি, দ্বিতীয় সংখাটি কার্ড গ্রুপ বলছে ।

তাসের ম্যাজিক

বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৬

~ফেসবুক পাসওয়ার্ড হাইজ্যাকরিসেটট্রিক…/..! এই টিউনটি বিশেষভাবে তাদের জন্যযারা দিনের ২৪ ঘন্টা ফেসবুকআইডি হ্যাকিং এর চিন্তায়মশগুলথাকেন । এমনকি আইডি হ্যাককরে দিতে পারলে জমি লিখে দিতেওউদ্দত হন । কিংবা কাঙ্খিতআইডি হ্যাককরতে পারলে মসজিদে মিলাদদেয়ারমত কাজ করবেন বলে জানান ....তাদের জন্য বলছি । ফেসবুকআইডি হ্যাকিং কখনোই কোনসুস্থসমাধান না । নিয়মতান্ত্রিকউপায় এযেকোনো কিছু করাই ভাল ।অবস্থারঅতিমাত্রিকতা উপলব্ধি পূর্বকএই টিউনলিখতে বাধ্য হলাম । এরসাহায্যনিয়ে কারো ক্ষতির জন্যআমি দায়ী না । ফেইসবুকআইডি যতগুলো পদ্ধতিতে হ্যাককরা যায় এটি তার মধ্যে অন্যতমএডভান্সড একটি পদ্ধতি ।তাহলে শুরুকরা যাক ।এটির জন্য আপনারপ্রথমে লাগবে একটি সেলফোননাম্বার যেটি কোন ফেসবুকআইডি এরসাথে সংশ্লিষ্ট নয় । সেইনাম্বারথেকে আপনাকে FBলিখে 32665নাম্বারে পাঠাতে হবে ।ফিরতি এস এমএস এআপনাকে একটি ভেরিফিকেশানকোড এবং একটি ইউ আর এলপাঠাবে । একজন নরমাল ইউজারএই কোডটি নিয়ে তারআইডি তে সংযুক্ত করবে ওফোন নাম্বার ভেরিফাইডকরবে । কিন্তু আমরা এখানেইট্রিককাজে লাগাব । আপনি যে ইউআর এলটি এস এম এস এ পাবেন ...সেটি আপনাকে ভিক্টিমকে দিয়ে ক্লিককরাতে হবে । ইউ আর এলটি অনেকটা এমন হবেhttps:// m.facebook.com/l/b7rThgahuYtআপনি কিভাবে করাবেনসেটা আপনাকে ভেবে বেরকরতে হবে । আমারক্ষেত্রে আমি কাজটা প্রফেশনালওয়ে তে করেছি । কারনসাধারন ভাবেকরলে সাফল্য পাবারসম্ভাবনা খুবই কম। আমি একটি সার্ভারথেকে পি এইচপি মেইলার দিয়ে ... অনেকগুলমেইলআইডি তে মেইল সেন্ডকরেছি ।।আপনি ভাবতে পারেন ,আমি হয়তো ধরাপড়ে যেতে পারি ।না ধরা পড়ব না । আমি মেইল থেকে ফেসবুক এরলেয়াউটনিয়েছি এবং Facebook Securityথেকে মেইল করেছি । অর্থাৎএকজনইউজার ঘূর্ণা ক্ষর এও টেরপাবে না মেইলটি আমি পাঠিয়েছি না ফেসবুক। এখন যখন আপনার ভিক্টিমমেইলটি পাবে তখনসে অনেকটা এরকমলেয়াউট দেখতে পাবে ।এবং আমারদেখামতে শতকরা ৭০ ভাগমানুষ এইধরনের ফাঁদে পা দেয় । মেইলের বিষয়হিসেবে আপনি দিতে পারেন ...যে সে স্প্যাম করেছিলবা তারআইডি থেকে অনেকবেশি ইনঅ্যাপপ্রোপিয়েটরিকোয়েস্টআসছিল ইত্যাদি । আপনি বিষয়হিসেবে যেটিই দেন না কেনঅবশ্যইযুক্তিসঙ্গত কিছু দেবেন । এখনভিক্টিম লিঙ্ক এ ক্লিককরলে ...একটি পেজ এযাবে যেখানে তাকে এটি একটিভেটকরতে বলা হবে ।এবং সেখানে যে ভেরিফিকাশানকোডদেয়া থাকবে সেটি হলআপনার নাম্বার এআসা ভেরিফিকেশান কোড ।এবং কোডটি বক্স এ দেয়াই থাকবে । এখনএক্টিভেট এ ক্লিককরলে আপনি আপনার মোবাইলএ একটি এসএম এস পাবেন ... যে নাম্বারটি অ্যাকাউন্ট এ সংযুক্তহয়ে গেছে ।তখন আপনার মোবাইল এএকটি লিঙ্কপাঠানো হবে । সেটি তে ক্লিক করুন ... ক্লিককরলে আপনি এই পেজটি তে চলে আশবেন । এই কাজটি অনেকদ্রুত সম্পন্ন করাই শ্রেয় এখনফরগোট পাসওয়ার্ড এ ক্লিক করুন।তাহলে আপনি রিসেটঅপশনগুলো পাবেন ।আপনি সেখানে আপনারনাম্বারদেখতে পাবেন । এবার আপনারনাম্বারে কোড পাঠাবেন ।এবং সাথে সাথেই আপনারনাম্বারে ইউআর এল সহ ভেরিফিকেশানকোড আসবে ।আপনি সেই কোডবসিয়ে দেবেন । এরপরআপনি পাসওয়ার্ড রিসেট অপশনপাবেন । পাসওয়ার্ড রিসেটকরে দিনকাজ শেষ । এরপর ফেসবুকআপনাকে লগিন এরমাধ্যমে ভিক্টিম এর সেটিংসপেজে নিয়ে যাবে । যেইআইডি দিয়ে এইটিউটোরিয়াল তৈরি করলাম ।সেটি একটি মেয়ে এরআইডি ছিল ।এবং সে সেই সময় চ্যাট করছিল ।আমি তাই কিছু না করে তারলাইভ চ্যাটকরা দেখছিলাম । কিছুক্ষণ পরসে লগআউট করলে আমি পুরো নিয়ন্ত্রণনিয়ে নেই । যেহেতুআমি পাসওয়ার্ডরিসেট করার সময় সব ডিভাইসথেকেইলগড ইন ছিলাম তাইসে ঘূর্ণাক্ষর এও টেরপায়নি যে কি হয়েছে ।আশা করি আমার টিউনটি পড়ে এক বিশেষশ্রেণীর মানুষের ফেসবুকআইডি হ্যাকিং সংক্রান্ত সকলআক্ষেপঘুচে যাবে ।হয়তো এটি অনেকে কপি পেস্টকরে নিজেদের নামেওচালাবেন ... যারা এটা করবেনতারা অবশ্যইকপি পেস্ট করার আগে এইটেকনিকভালভাবে আয়ত্তে আনবেন ।তা না হলে দেখা যাবে আপনাকে কেউকোন প্রশ্ন করলে তার কোনউত্তরআপনি দিতে পারবেন না । ..আল্লাহ হাফেজ,,,

Admin Ujjal

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৬

আপনি চাইলে ফেসবুক এ যেকোন লেখা নীল কালিতে লিখতে পারেন। অনেকেই এটা জানেন কিন্তু যারা জানেন না তাদের জন্য এটা একটা মজার ট্রিক্স। একটি ছোট ট্রিকসের মাধ্যমে ফেসবুকের ওয়ালে ও কমেন্টে নীল রঙে সব লেখা যাবে। নিচের কোডটি ভেতরের ‘এখানে লিখুন’ লেখাটি মুছে দিয়ে যা খুশি তাই লিখুন। তারপর @ এর পরের + গুলো ঊঠিয়ে দিয়ে পোস্ট করুন। দেখবেন লেখাটি নীল হয়ে গেছে। @@[0:[0:2:এখানে লিখুন]] মনে রাখবেন। নীল কালিতে লেখাটি একটি লিঙ্ক হিসাবে ব্যাবহার হয়। তাই লেখাটিতে ক্লিক করলে আপনার প্রোফাইল এ নিয়ে যাবে।

Blue Status

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমরা কম-বেশি প্রায় সবাই ব্যাবহার করে থাকি। আর এই ব্যাবহার এর মধ্যে অধিকাংশ সময়ে আমরা চ্যাট, লাইকস, স্ট্যাটাস আপডেট, কমেন্টস করে থাকি। ফেসবুকের অধিকাংশ ব্যাবহারকারিই চান নিজের দেয়া স্ট্যাটাস, কমেন্টস অন্যদের নজর কাটুক। এবং সেই সাথে এর ফিডব্যাক পান। সবসময়ই অন্যদের থেকে নিজেকে কিছুটা আলাদা করে উপস্থাপন করার প্রচেষ্টা। ফেসবুকে সাধারণত সবার স্ট্যাটাস ও কমেন্টস কালো রং এর ফন্ট কালারে লিখা থাকে। কিন্তু আপনার দেয়া স্ট্যাটাস ও কমেন্টস যদি নীল রং এর ফন্ট কালারে লিখা হয় তাহলে কিন্তু ব্যাপারটা বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এবং সেই সাথে সহজেই অন্যদেরও নজর কাটবে। নীল রং এর ফন্ট কালারে স্ট্যাটাস আপডেট বা কমেন্টস লিখতে হলে আপনাকে যা করতে হবে : স্ট্যাটাস আপডেট বা কমেন্টস বক্স এ কার্সর রেখে নিচের কোড গুলো হুবহু টাইপ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত কথা টাইপ করুন। @@[1:[0:1:আপনার স্ট্যাটাস বা কমেন্টস লিখুন]] তবে এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে কোডগুলো লিখার সময় কোডের মধ্যে কোন স্পেস দেওয়া যাবে না। যেমন ধরুন, I am felling very much lucky লিখে স্ট্যাটাস আপডেট করতে চান তাহলে যেভাবে লিখবেন @@[1:[0:1:I am felling very much lucky]] লিখা শেষে পোস্ট বা শেয়ার করে দেখুন লিখাটি নীল রং এর ফন্ট কালারে প্রদর্শন করছে।

বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১৬

শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই স্কুল-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিতর্ক প্রতিযোগিতা ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞানের ভান্ডারকে বিকশিত করে। সেই সাথে একজন শিক্ষার্থীকে নেতৃত্বদানের মতো যোগ্যতা তৈরী করতে সাহায্য করে। শুধু তর্কের খাতিরে তর্ক নয়, অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আলোচনা সমালোচনা হয়। ফলে অংশগ্রহনকারী ও শ্রোতা, উভয়ের জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে। কিভাবে একজন ভাল তর্কবাগীশ হওয়া যায় সেটা নিয়েই আজকের আলোচনা। তর্কবাগীশ হতে চাইলে: কথায় আছে, যেই মুলোটা বাড়ে তা পত্তনেই বোঝা যায়। তাই ছোটবেলা থেকেই স্কুলপর্যায়ে যেসব বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় সেগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে। বিতর্কে অংশগ্রহণের জন্য অনেক বিষয় সম্পর্কে প্রচুর পড়ালেখা করতে হয়। আর যেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হবে তা সম্পর্কে ভালোভাবে না জানলে প্রতিপক্ষের সাথে সমান তালে তর্ক করা যাবে না। তাই ওই নির্দিস্ট বিষয়ে জ্ঞানের পরিধি আরও ব্যাপক হতে হয়। আশেপাশে কোথায় কি ঘটছে প্রতিনিয়ত এই ব্যাপারে জানতে হলে অবশ্যই প্রতিদিন সবাদপত্র ও খবর দেখার অভ্যাস করতে হবে। এছাড়াও এখন বাজারে অনেক বই পাওয়া যায় সাধারণ জ্ঞানের। এগুলো পড়লে সহজেই জানা যাবে দেশ ও বিদেশে কখন কি হচ্ছে, কবে কোন আইন টি পাশ হয়েছে, কার সাথে কি চুক্তি হয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে। যা একজন তার্কিকের বিতর্কের জন্য অবশ্যই জানা থাকা জরুরি। এখন আসা যাক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আপনি কিভাবে যুক্তি তর্ক খণ্ডাবেন, কোন কোন ব্যাপার মেনে চললে আপনার পারফরমেন্স ভালো হবে সেই বিষয়ে: মানুষ খুব বিপজ্জনক হয় যখন তারা সিরিয়াস ব্যাপারে আলোচনায় বসে। অবশ্যই আপনার বিপক্ষে যে থাকবে সে আপনার প্রতিটা কথা নোট করে পাল্টা জবাব খুঁজবে। আর বিচারকদের খুশি করা তো প্রায় দুঃসাধ্য ব্যাপার। তাই আপনাকে সাধারণ কিছু পদ্ধতি মাথায় রাখতে হবে। বিতর্কের শুরুতেই বিতর্কের বিষয়ে সংজ্ঞা দিতে হবে। তারপর কোন কোটেশন, কবিতার দুটি লাইন বা এমন কিছু উল্লেখ করুন যা আপনার বিতর্কের বিষয়ের সাথে যায়। গভীরভাবে শ্বাস নিয়ে, দর্শক ও বিচারকদের দিকে তাকিয়ে কনফিডেন্টলি আপনার বক্তব্য শুরু করুন। বক্তব্যের শুরুতে আমম…উউউ…এরকম করবেন না। বিতর্ক শুরুর ভূমিকাটা বেশি বড় করবেন না। সরাসরি যেই বিষয়ে বিতর্ক সেই পয়েন্টে চলে আসুন। যদি বিতর্কের বিষয় কোন সমস্যা সম্পর্কিত হয় যেমন- ‘বাংলাদেশের যানজট সমস্যা’ তাহলে এই সমস্যার কারণে কোন কোন দিকে সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং এই সমস্যা নিরসনের উপায় নিয়ে বলবেন। অবশ্যই উদাহরণ থাকতে হবে আপনার বক্তব্যের মধ্যে। যদি আপনি সমস্যার সমাধান বলতে যান তাহলে আপনাকে সমস্যা অনুযায়ী উদাহরণ, সমীক্ষা ও বিশেষজ্ঞের মত উল্লেখ করতে হবে। অপরপক্ষের তার্কিক কি বলেছে সেগুলো লাইন আপ করে রাখবেন বা লিখে রাখবেন এবং এর বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে বোঝাবেন উনার দেখার দিকটা বা সমাধানের উপায়*টা ভুল ছিল, আপনারটা নয়। এটা মনে রাখবেন যে যত গুরুগম্ভীর বিষয়ই হোক না কেন, আপনার উপস্থাপনার উপরই দর্শকদের দৃষ্টি থাকবে। তাই যুক্তিতর্কের সময় আপনার উপস্থাপনা ও বচনভঙ্গি যেন সাবলীল কিন্তু জোরালো হয়। সবসময় আইকন্টাক্ট মেনে চলবেন। বিশেষ করে বিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলীর উপর চোখ রেখে কথা বলবেন। এছাড়াও উপস্থিত দর্শকদের দিকে তাকিয়েও কথা বলবেন। এতে করে আপনার বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। সবশেষে আপনার বক্তব্য শেষ করার সময় পুরো বিষয়বস্তুটি আবার সংক্ষিপ্ত আকারে বলুন, বিশেষ বিশেষ পয়েন্টগুলো তুলে ধরুন এবং সমস্যা সমাধানের উপায় বলুন। শেষ করার আগে সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার বক্তব্য শেষ করুন। বিতর্কটাকে মজা নিয়ে উপভোগ করুন। কখনোই বেশি মানুষ দেখে নার্ভাস হয়ে যাবেন না বা স্ট্রেস নেবেন না। আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীকে শত্রু ভাবার কোন কারণ নেই। স্টেজের বাইরে এরাই হতে পারে ভালো বন্ধু। নতুন মানুষের সাথে মিশতে পারছেন, নতুন নুতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারছেন, আপনার অভিজ্ঞতা বাড়ছে এসব ভেবে বিতর্ককে ইতিবাচক ও শিক্ষণীয় ভাবুন। লেখাটি ভাললাগলে কিংবা উপকারে আসলে শেয়ার করে অপরকে জানান।

আসসালামুআলাইকুম । কেমন আছেন টেকটিউন্স পরিবারের সব সদস্যরা । আশা করি ভালই আছেন । চারদিকে শুধু প্রযুক্তির কিচির মিচির । এর ফাকে যদি একটু অন্যরকম মজা পাওয়া যায় । হ্যা এই অন্যরকম মজা পেতেই এই টিউন। ম্যজিক দেখতে কার না ভাল লাগে ? আমরা ম্যজিক দেখলে অনেক মজা পাই । কারন আপাত অসম্ভব একটা জিনসই আমাদের সামনে সম্ভবপর করে উপস্থাপন করা হয় ম্যজিকের মাধ্যমে । হুম এরকম একটা ম্যজিকই শিখিয়ে দিচ্ছি আপনাকে । শিখে নিন ম্যজিকটি আর হয়ে যান একজন ছোট্র ম্যজিসিয়ান । অনেক প্যচাল পারলাম । আসুন এবার কাজের কথায়। এই ম্যজিকটি দেখানোর জন্য প্রথমেই আপনার যা যা প্রয়োজন হবে: ১.একটি গ্লাস বা মগ ভর্তি পানি; ২.একটি টিসু/ পাতলা কাগজ; ৩.একটি সুই(সবচেয়ে ছোট আকারের)। কার্যপ্রনালী: প্রথমেই মগ বা গ্লাস ভর্তি পানির মধ্যে টিসুটি রাখুন। তারপর টিসুটির উপর সুইটি রাখুন প্রায় .৩০/.৪৫ সেকেন্ড। এবার ধীরে ধীরে হালকা কোন কাটি দিয়ে নীচের দিকে টিসুটি নিয়ে নিন। তারপর কাটি দিয়ে আস্তে আস্তে টিসুটি তুলে আনুন। সাবধান পানিতে যেন খুব বেশী নাড়া-চড়া না হয় এবং সুইয়ের সাথে যেন কাটি না লাগে । এবার দেখেবেন পানিতে ভাসছে আপনার সুইটি। কাজ গুলো একটু সাবধানে করতে হবে যাতে পানি সহজে নড়তে না পারে।

লোকপরম্পরাগত বিশেষ উক্তি বা কথন। জীবন, জগৎ ও সমাজ সম্পর্কে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাপ্রসূত এই প্রবাদ লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা। প্রবাদ অতীতের বিষয় হয়েও সমকালকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করে। আধুনিক যুগে প্রায় সব ধরনের রচনায় প্রবাদ ব্যবহূত হয়। কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক, সংবাদপত্র, বিজ্ঞাপন, বক্তৃতা, এমনকি দৈনন্দিন কথাবার্তায়ও প্রবাদের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। প্রবাদ ক্ষুদ্রতম রচনা; একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য থেকে ছন্দোবদ্ধ দুই চরণ পর্যন্ত এর অবয়বগত ব্যাপ্তি। তবে ক্ষুদ্র হলেও তা পূর্ণাঙ্গ ভাবদ্যোতক ও অর্থবহ হয়ে থাকে। যেকোনো প্রবাদ মানুষের ব্যবহারিক জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বা উপলব্ধি থেকে জন্ম নেয়। ‘অতি সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’, ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’, ‘জোর যার, মুলুক তার’ ইত্যাদি প্রবাদের গড়ন অাঁটসাট; বাড়তি একটি শব্দও নেই। স্বল্প কথায় এত বেশি অর্থবহন-ক্ষমতা প্রবাদ ছাড়া লোকসাহিত্যের অন্য কোনো শাখার নেই।